Header Ads

এনসিপির প্রচারণায় কী করতেন সাংবাদিক হলে, জানালেন প্রেস সচিব

        

এনসিপির প্রচারণায় কী করতেন সাংবাদিক হলে, জানালেন প্রেস সচিব


    

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, যদি তিনি সাংবাদিক হতেন, তাহলে নির্দ্বিধায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ৪ জুলাইয়ের নির্বাচনী প্রচারণা সফরে অংশ নিতেন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

পোস্টে শফিকুল আলম লেখেন, “যদি আমি একজন সাংবাদিক হতাম, বিশেষ করে ফ্রিল্যান্স রিপোর্টার, তাহলে আমি নিশ্চয়ই এনসিপির তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ সফরে অংশ নিতাম। কারণ এটি শুধু একটি প্রচারণা নয়—এটি এক নতুন রাজনৈতিক ভোরের সূচনা, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের পথচিত্র বদলে দিতে পারে।”

তিনি আরও লেখেন, “মাত্র এক বছর আগে তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা আন্দোলন এক নৃশংস শাসকের পতন ঘটায়। সেই তরুণরাই এখন দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তারা তৃণমূল পর্যায়ে জনসমর্থন গড়ে তুলে নতুন রাজনৈতিক শৃঙ্খলা গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। যাদের কয়েক মাস আগেও ক্লান্ত ও বিতর্কিত মনে হচ্ছিল, আজ তারাই নতুন উদ্দীপনায় মাঠে নেমেছেন। এই সফর তাদের আন্দোলনে নতুন প্রাণ জুগিয়েছে। তাদের আশা এখন আকাশছোঁয়া, আর লক্ষ্য স্পষ্ট।”

শফিকুল আলম লিখেছেন, “যখন এনসিপির গাড়িবহর শহর থেকে গ্রাম, মাঠ থেকে মোড়ে মোড়ে ছুটে চলেছে, তখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তারুণ্যের জোয়ার। হাজারো তরুণ-তরুণী উদ্দীপনার সঙ্গে এই অভিযাত্রায় যোগ দিচ্ছেন। তবে প্রশ্নও রয়েছে—তারা কি সত্যিই বিএনপি বা জামায়াতের মতো পুরনো ও শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে?”

তিনি আরও বলেন, “এই সফর এক ধরনের পরীক্ষা—বাংলাদেশের গণতন্ত্র কোন পথে এগোবে, সেটি নির্ধারিত হবে এই তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে। বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে—তারা কীভাবে রাজনীতিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে চায়। যদি তারা জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে, তাহলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমও তাদের প্রতি আগ্রহ দেখাতে পারে।”

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের প্রতি বার্তা দিয়ে শফিকুল আলম লেখেন, “এটি সংবাদকর্মীদের জন্য একটি অনন্য সুযোগ। এটা কেবল রাজনৈতিক আন্দোলনের খবর নয়, বরং ইতিহাস নির্মাণের অংশ হয়ে ওঠার সুযোগ। এই যাত্রার স্বপ্ন, সংকট ও পরিবর্তনের ধারা তুলে ধরতে পারলে তা কেবল সাংবাদিকতার গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং হয়ে উঠবে সময়ের এক যুগান্তকারী প্রামাণ্য দলিল। ফেসবুক বা এক্সে নিয়মিত প্রতিবেদন ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে এই পরিবর্তনের অন্তরালের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।”

শেষে তিনি লেখেন, “আপনার লেখাগুলো হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক ভোরের পথচলার গুরুত্বপূর্ণ দলিল। সামনে এগিয়ে আসুন, লিখুন এবং এই রূপান্তরকালের একজন প্রত্যক্ষ অংশীদার হয়ে উঠুন।

No comments

Powered by Blogger.