Subscribe to:
Post Comments
(
Atom
)
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, “বাংলাদেশ কোন গন্তব্যে যাবে, আজকের জানাজাই তার উত্তর।”
একই দিন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম–এর কবরের পাশে শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে জানাজা শেষে দাফনের উদ্দেশ্যে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়।
নামাজে জানাজায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং নানা শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়ে শহীদ হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে গণসংযোগে গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তাকে গুলি করা হয়। গুলিটি তার মাথায় লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুতে দেশজুড়ে গভীর শোকের ছায়া নেমে আসে।
No comments