Header Ads

১১-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা প্রস্তাব করলেন নতুন বেতন কাঠামো

                                 

১১-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা প্রস্তাব করলেন নতুন বেতন কাঠামো

    

সরকারি ১১-২০ গ্রেডের চাকরিজীবীরা ন্যায্য ও বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন। তারা সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করে ১৩ গ্রেডের নতুন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করেছেন।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকরিজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নবম পে কমিশন গঠন করে সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির প্রতি ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে এবার পে কমিশন যেন বাস্তবসম্মত, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো প্রস্তাব করে, তা হলো কর্মচারীদের প্রত্যাশা।

আরো পড়ুন: উপদেষ্টা পরিষদ সভায় ১১ অধ্যাদেশ ও ৩ প্রস্তাব অনুমোদন

তিনি জানান, ২০১৫ সালের পে স্কেলে উল্লেখযোগ্য বৈষম্য ছিল এবং গত ১০ বছরে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা দুটি পে স্কেল থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই বর্তমান বাজারদর ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন কাঠামো প্রণয়ন জরুরি। সংগঠন সর্বনিম্ন বেতন ৩২ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা ধরে ১৩ গ্রেডের নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাব করেছে।

সংগঠন প্রস্তাব করেছে, ঢাকা সিটি করপোরেশন এলাকায় বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৮০ শতাংশ, অন্যান্য সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭০ শতাংশ এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৬০ শতাংশ নির্ধারণের। এছাড়া চিকিৎসা ভাতা ৬ হাজার, শিক্ষা ভাতা (প্রতি সন্তান) ৩ হাজার, যাতায়াত ভাতা ঢাকায় ৩ হাজার ও অন্যান্য এলাকায় ২ হাজার, ইউটিলিটি ভাতা ২ হাজার, টিফিন ভাতা দৈনিক ১০০ টাকা (মাসে ২২০০), বৈশাখী ভাতা ৫০ শতাংশ, ঝুঁকি ভাতা ২ হাজার এবং পাহাড়ি ও উপকূলীয় অঞ্চলের কর্মচারীদের জন্য অতিরিক্ত ৪০ শতাংশ ভাতা প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়া পেনশন সুবিধা ৯০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করা, আনুতোষিকের হার ২৩ টাকা থেকে ৫০০ টাকা করার, পুরোনো নিয়মে তিনটি টাইমস্কেল ও দুটি সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন সুবিধা ও গৃহঋণ প্রদান, ব্লক পদ বাতিল করে পদোন্নতির ব্যবস্থা, রেশন সুবিধা চালু এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাবও উত্থাপন করা হয়েছে।

সংগঠনের সভাপতি মো. লুৎফর রহমান বলেন, সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘ ১০ বছর ধরে নতুন পে স্কেল থেকে বঞ্চিত। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে কর্মচারীরা পুনরায় রাস্তায় নামতে বাধ্য হবেন।

No comments

Powered by Blogger.