Header Ads

এক বছরে বন্ধ হয়েছে ২৫৮টি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ সভাপতি

                                                

এক বছরে বন্ধ হয়েছে ২৫৮টি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা: বিজিএমইএ সভাপতি



গত এক বছরে দেশে মোট ২৫৮টি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু। মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনের অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন, চট্টগ্রাম বন্দরের মাশুল বৃদ্ধি এবং শ্রম আইন সংস্কারসহ তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, “আমাদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে এবং এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রক্রিয়া মসৃণ করতে হলে সরকারকে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা সরকারের প্রতি অনুরোধ করছি—রপ্তানিমুখী শিল্পখাত পুরোপুরি প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত এলডিসি উত্তরণের সময়সীমা অন্তত তিন বছর পিছিয়ে দেওয়া হোক।

অপহরণের নাটক সাজানোর কথা স্বীকার করলেন মুফতি মুহিবুল্লাহ মিয়াজী!

চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি না করে এক ধাপে ৪১ শতাংশ মাশুল বৃদ্ধি অযৌক্তিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষায়, “এভাবে হঠাৎ মাশুল বাড়ানো রপ্তানি বাণিজ্যের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।”

মাহমুদ হাসান খান বাবু আরও বলেন, শ্রম আইন সংস্কার সময়ের দাবি হলেও তা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। আইন এমনভাবে প্রণয়ন করা উচিত যাতে এটি শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ নেতারা সংশোধিত শ্রম আইন ২০২৫ পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। তাদের দাবি, শিল্প, শ্রমিক ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনা করে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও কার্যকর আইন প্রণয়ন করা জরুরি।

বাবু আরও বলেন, “বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী শিল্প খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি খাতকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।
আরো পড়ুন

No comments

Powered by Blogger.