Header Ads

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আহ্বান

        
                        

প্রাথমিকে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের আহ্বান

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগ এবং ‘তৃতীয় লিঙ্গ’ কোটার আওতায় ট্রান্সজেন্ডারদের শিক্ষক পদে অন্তর্ভুক্তির সরকারি প্রজ্ঞাপনের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল হাসানাত আমিনী।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাদ দিয়ে সংগীত শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ একটি পরিকল্পিত ধর্মবিমুখ নীতির প্রতিফলন। তিনি প্রশ্ন তোলেন—এটি কার স্বার্থে, কী উদ্দেশ্যে এবং কোন ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা জাতিকে জানতে হবে।

তার দাবি, দেশে প্রাথমিক শিক্ষায় মৌলিক জ্ঞানের ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও সংগীত শিক্ষক নিয়োগ শিক্ষানীতির পরিপন্থী এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী। ইসলাম ধর্মে বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও সংগীতকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ মুসলিম সমাজের ধর্মীয় মূল্যবোধ, সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয় নষ্ট করার সুস্পষ্ট প্রচেষ্টা।

তিনি মনে করেন, গান শেখানোর পরিবর্তে শিশুদের নৈতিক, আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি বিদ্যালয়ে আলাদা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ করা সময়ের প্রয়োজন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চরিত্র গঠন ও মানসিক বিকাশের জন্য ধর্মীয় শিক্ষা অপরিহার্য।

আমিনী আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, তৃতীয় লিঙ্গ কোটার নামে সমকামিতার মতো এজেন্ডা শিক্ষাব্যবস্থায় প্রবেশ করানো হচ্ছে, যা সমাজে নতুন বিভক্তি ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করবে।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতির আগামী প্রজন্মের শিক্ষা ও নৈতিকতা রক্ষার্থে এই প্রজ্ঞাপন দ্রুত বাতিল করতে হবে। অন্যথায় ইসলামী ঐক্যজোট রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

No comments

Powered by Blogger.