Header Ads

বাংলাদেশ নতুন ইতিহাসের পথে: ভারতীয় সাংবাদিক

        

বাংলাদেশ নতুন ইতিহাসের পথে: ভারতীয় সাংবাদিক

সিদ্ধার্থ ভারদারাজান বলেন, “বাংলাদেশ তার ভবিষ্যতের অর্থনীতি নিয়ে নতুন করে ভাবছে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, “আমরা পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থায় ফিরতে চাই না। আমি আশা করি তরুণরা এ বিষয়ে রাজনৈতিকভাবে সচেতন থাকবে।”

মালয়েশিয়ার সাবেক শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক মাজলি বিন মালিক বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি ফিরে এসেছে। সরকার সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে সংলাপ করছে—এটি খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ।”

তিনি আরও বলেন, “গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী এসব সংস্কারের সিদ্ধান্ত শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সারা বিশ্বের যে কোনো দেশের অগ্রগতির জন্য একটি লিটমাস টেস্ট হিসেবে বিবেচিত হবে।”

দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত ইতিহাসের প্রতিটি স্তরে আমরা স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু আমরা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থা তৈরি করতে পারিনি। এ কারণেই বারবার আমাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। আমরা আবারও রুখে দাঁড়িয়েছি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং নতুন করে স্বপ্ন দেখেছি।”

মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ের অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “প্রতিবার নতুন স্বপ্ন দেখার পর আমাদের ঐক্যে ফাটল ধরে, আর আমরা ব্যর্থ হই। তবে চব্বিশের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান আমাদের আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছে।”

নেপালের সাবেক মন্ত্রী ড. দীপক গাওয়ালি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “বাংলাদেশের তরুণরা যারা গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়ে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তাদের বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
দুই দিনব্যাপী এই বেঙ্গল ডেলটা কনফারেন্স আয়োজন করেছে ঢাকা ইনস্টিটিউট অফ রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স (দায়রা)।

No comments

Powered by Blogger.