শনিবারের সমাবেশ সামনে রেখে জামায়াতের নেতাকর্মীদের জন্য যেসব নির্দেশনা দিল দলটি
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা জারি করেছে দলটি।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও জাতীয় সমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নেতাকর্মীদের জন্য নির্দেশনা:
১. সকলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যথাসময়ে উপস্থিত থেকে মাঠ পূর্ণ করার চেষ্টা করবেন।
২. আমিরে জামায়াতের বক্তব্য শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজ নিজ অবস্থানে স্থির থাকতে হবে।
৩. বৃষ্টি হলেও অবস্থান ত্যাগ করা যাবে না।
৪. জাতীয় পতাকা ছাড়া অন্য কোনো পতাকা প্রদর্শন করা যাবে না।
৫. মিছিল নিয়ে আসার সময় কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া যাবে না।
৬. বয়স্ক ও শিশুদের যাতায়াত ও অবস্থানে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
৭. উদ্যানে ১৫টি মেডিকেল বুথ থাকবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক উপস্থিত থাকবেন। কেউ অসুস্থ হলে নিকটস্থ বুথ থেকে সেবা নিতে হবে।
৮. অভ্যর্থনা কেন্দ্র ও সমাবেশস্থলে পোশাকধারী স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন; তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
৯. প্রত্যেকে নিজের জন্য খাবার পানি সঙ্গে রাখবেন।
১০. সমাবেশ শেষে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে হবে।
১১. জরুরি প্রয়োজনে যোগাযোগের জন্য নিচের নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে:
-
মোবারক হোসাইন (নির্বাহী সদস্য): ০১৭৬৮৭৬০৭৪৯
-
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক: ০১৭৩৭৪৪৩১৪২
-
অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান: ০১৯১৮৮৮৮৭৯৩, ০১৯৫৯২৮০৫১৮
-
কামাল হোসেন: ০১৮৯০৯৪১৯৮৪, ০১৩১৮৭৩৬৯৮৩
যানবাহন সংক্রান্ত নির্দেশনা:
১. প্রতিটি গাড়ির সামনে স্টিকার লাগাতে হবে, যাতে থাকবে: অঞ্চলের নাম, ড্রপিং পয়েন্ট, পার্কিং এরিয়া, চালক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম ও মোবাইল নম্বর।
২. প্রতিটি শাখা থেকে আসা গাড়িগুলো একসঙ্গে রওনা দেওয়ার চেষ্টা করবে।
৩. ঢাকার কোনো ফ্লাইওভারে গাড়ি উঠতে পারবে না।
৪. নির্ধারিত ড্রপিং পয়েন্টে যাত্রী নামাতে হবে এবং পার্কিং নির্দিষ্ট এলাকায় করতে হবে।
৫. সকাল ১০টার মধ্যে সব গাড়ি নির্ধারিত ড্রপিং পয়েন্টে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে।
৬. যদি কোনো গাড়ি নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে না পারে, তবে কাছাকাছি নিরাপদ স্থানে দাঁড়াতে হবে এবং সমাবেশ শেষে সেখান থেকেই যাত্রীরা উঠবে।
৭. নিজস্ব এলাকার গাড়িগুলো নিজস্ব পার্কিং এ রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. পার্কিং করার সময় সিঙ্গেল লাইনে রাখতে হবে এবং অন্য গাড়ির প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ উন্মুক্ত রাখতে হবে।
৯. ড্রপিং পয়েন্ট ও পার্কিং এরিয়ায় ট্রাফিক ও স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
১০. সায়েদাবাদ, পোস্তগোলা, কদমতলী, মাতুয়াইল, কমলাপুর রেলস্টেশন, গাবতলী, মহাখালী, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, উত্তরা আজমপুর ও সদরঘাট—এই ১০টি স্থানে অভ্যর্থনা কেন্দ্র থাকবে। প্রয়োজনে সেখান থেকে সহযোগিতা নেওয়া যাবে।


No comments