বিদেশে না দেশে সাবেক স্পিকার শিরীন, যা জানালো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সাবেক জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার অবস্থান সম্পর্কে সরকারের কাছেও কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন রয়েছে যে, তিনি স্বামীসহ সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হত্যা মামলার তদন্ত এক বছর পার হলেও শেষ হয়নি। ফলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোর মধ্যে মতবিরোধও চলছে বলে জানা গেছে।
স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিরীন শারমিনের অবস্থান সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, “সাবেক স্পিকারের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই। কেউ কেউ বলছেন তিনি ঢাকাতেই ভাইয়ের বাসায় স্বামীকে নিয়ে থাকছেন, আবার কেউ দাবি করছেন তিনি পাসপোর্ট ছাড়াই স্থলপথে সীমান্ত পার হয়েছেন।
গ্রেপ্তার বাবার কাছে কাঁদতে থাকা শিশুকে চড়, পুলিশের তদন্ত শুরু
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক শাখার একজন কর্মকর্তা বলেন, “এই বিষয়টি নীতিনির্ধারক পর্যায়ের। উপর থেকে নির্দেশনা এলে আমরা অবশ্যই তা অনুসরণ করব। আদালত কোনো পরোয়ানা বা নির্দেশ দিলে সেটিও বাস্তবায়ন করা হবে।”
সরকারের দুটি গোয়েন্দা সংস্থা ও একটি তদন্ত সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাজধানীর একটি সুরক্ষিত এলাকায় তিনি স্বামী ও ছোট ছেলেকে নিয়ে আত্মগোপনে থাকতে পারেন। তবে এখনো পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে তার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা জারি করা হয়নি।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুতে শিরীন শারমিন রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এক পর্যায়ে তাকে গ্রেপ্তারের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তা কার্যকর হয়নি। এরপর তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে রাজধানীর একটি সুরক্ষিত স্থানে আত্মীয়ের বাসায় চলে যান। সেখান থেকেই তিনি নতুন ই-পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাসপোর্ট ও ইমিগ্রেশন শাখা নিশ্চিত করেছে, আত্মগোপনে থাকা অবস্থাতেই তিনি নতুন পাসপোর্টের জন্য আঙুলের ছাপ ও আইরিস স্ক্যান দেন। তবে ধানমন্ডির যে ঠিকানা ব্যবহার করে তিনি আবেদন করেছিলেন, সেখানে বর্তমানে তার কোনো উপস্থিতি নেই বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।
আরো পড়ুন


No comments