Header Ads

পরোয়ানাভুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে রাখল সেনাসদর

                                            

পরোয়ানাভুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে রাখল সেনাসদর



 আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা ২৫ জন কর্মকর্তার মধ্যে ১৫ জনকে হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে সেনাসদর জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গুম মামলায় ট্রাইব্যুনাল পরোয়ানা জারির পর তা নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়। সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তার না করায় জুলাই মাসের অভ্যুত্থানকারীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। আজ শনিবার ঢাকা সেনানিবাসের মেস আলফায় এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান এ তথ্য জানান।

আরো পড়ুন: বাগদান সম্পন্ন করলেন বিএনপি নেতা ইশরাক, প্রকাশ পেল পাত্রীর পরিচয়

আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত গুমের ঘটনায় দুটি মামলায় ট্রাইব্যুনাল বুধবার ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮ জনকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়। এর মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। পরোয়ানা জারির দিনই এটি সংশ্লিষ্ট ১৩টি দপ্তরে পাঠানোর কথা জানিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল-১-এর কর্মকর্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, “২৫ জন সেনাসদস্যকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন অবসরপ্রাপ্ত, ১ জন এলপিআর, এবং ১৫ জন বর্তমানে সেনাবাহিনীতে কর্মরত। ৮ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর এলপিআর ও সেবায় থাকা ১৬ জনকে সেনাসদরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ৯ অক্টোবরের মধ্যে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মেজর জেনারেল কবীর আহাম্মাদ ছাড়া বাকি ১৫ জন উপস্থিত হয়েছেন। তারা পরিবারের থেকে আলাদা রাখা হয়েছে।”

কবীর আহাম্মাদের বিষয়ে তিনি জানান, “তিনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হন এবং এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ডিজিএফআই, এনএসআই ও বিজিবিকে বলা হয়েছে যেন তিনি দেশত্যাগ করতে না পারেন।”

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধান এবং সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। হেফাজতে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরো পড়ুন

No comments

Powered by Blogger.