Header Ads

সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরি নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক?

                                 

সঞ্চয়পত্রের টাকা চুরি নিয়ে কী বলছে বাংলাদেশ ব্যাংক?



সঞ্চয়পত্রের সার্ভারে অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সন্দেহভাজন তিন ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে সঞ্চয়পত্র লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত তিন কর্মকর্তার কম্পিউটারও তদন্ত কমিটি জব্দ করেছে।

এই ঘটনায় দুটি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে এটি হ্যাকিং নাকি তথ্য জালিয়াতি—তা তদন্তের পরই নিশ্চিতভাবে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সঞ্চয়পত্র ইস্যু সংক্রান্ত বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সহকারী মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, “জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সার্ভার ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিরাপত্তা আরও জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, সঞ্চয়পত্রের অর্থ চুরির ঘটনায় রাজধানীর মতিঝিল থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

তিন মাসে বিদেশি ঋণ এসেছে ১১৫ কোটি ডলার, পরিশোধ হয়েছে আরও বেশি

মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দিন বলেন, “সঞ্চয়পত্রের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সম্প্রতি মতিঝিল অফিস থেকে কেনা ২৫ লাখ টাকার একটি সঞ্চয়পত্র একটি প্রতারক চক্র ভুয়া লেনদেনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করে। সঞ্চয়পত্রটি অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেস ক্লাব শাখা থেকে কেনা হলেও অর্থটি চলে যায় এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর উপশাখার এক গ্রাহকের (আরিফুর রহমান) হিসাবে। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার শ্যামলী শাখা থেকে নগদ অর্থ তুলে নেন।

একই কৌশলে আরও দুটি লেনদেনে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক ও এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে যথাক্রমে ৩০ লাখ ও ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ভাঙানোর চেষ্টা করা হয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসার পর শেষ মুহূর্তে ওই লেনদেনগুলো স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বিএফআইইউ তিনটি সন্দেহজনক ব্যাংক হিসাবই জব্দ করে।
আরো পড়ুন

No comments

Powered by Blogger.