Header Ads

৮ শিক্ষার্থীকে পড়াতেন ১০ শিক্ষক, কিন্তু সবাই ফেল করেছেন

                 

৮ শিক্ষার্থীকে পড়াতেন ১০ শিক্ষক, কিন্তু সবাই ফেল করেছেন



দুই প্রতিষ্ঠানে মোট ৮ জন শিক্ষার্থীকে পাঠদান করতেন ১০ জন শিক্ষক। কিন্তু বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) প্রকাশিত এইচএসসি ও সমমানের (আলিম) পরীক্ষায় তারা সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বরিল্যা কেরামত আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসার শিক্ষার্থীরা এ বছর সবাই ফেল করেছেন।

বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসা সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটিতে মোট ২২ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন। এর মধ্যে সাতজন শিক্ষক আলিম স্তরে পাঠদান করেন—চারজন আরবি, একজন বাংলা, একজন ইংরেজি ও একজন সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক। তারা তিনজন শিক্ষার্থীকে পড়িয়েছেন, তবে কেউই পাস করতে পারেনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক জানান, “ওই তিনজন শিক্ষার্থী আসলে পরীক্ষায় অংশ নিতে চায়নি। কলেজ কর্তৃপক্ষ নিজ উদ্যোগে তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করিয়েছে। তারা সবাই অটো পাসের শিক্ষার্থী ছিল।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম জানান, “এ বছর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার ছয়টি মাদরাসা থেকে মোট ২৫২ জন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়, এর মধ্যে পাস করেছে ১০৭ জন। দুজন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। মাদরাসা পর্যায়ে উপজেলায় পাসের হার ৪২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তবে বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসার তিনজন পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য।”

ফলাফল বিষয়ে জানতে বৈরাটি সিনিয়র আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. শাহজাহানের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি প্রথমে কল কেটে দেন, পরে আর ফোন ধরেননি।

অন্যদিকে, নান্দাইল উপজেলার বরিল্যা কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ২০১৭ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং ২০১৯ সালে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির মানবিক ও বিজ্ঞান বিভাগ চালুর অনুমতি পায়। নান্দাইল সদর থেকে প্রায় ১১ কিলোমিটার দূরে জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটি অবকাঠামোগতভাবে ভালো হলেও শিক্ষার্থী সংখ্যা কম। এ বছর মানবিক বিভাগ থেকে ৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়, কিন্তু সবাই ফেল করেছে।

প্রধান শিক্ষক রৌশমত আরা বেগম বলেন, “শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত না থাকা ও পড়াশোনায় আগ্রহের অভাবের কারণে এমন ফল হয়েছে। তারা সবাই অনিয়মিত ছিল এবং এসএসসিতে অটো পাস করেছিল।

No comments

Powered by Blogger.