Header Ads

এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠালেন

                                              

এনসিপি নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠালেন


 

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমন্বয়ক কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ফরহাদ হোসেন খান তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। রোববার (১৭ আগস্ট) দলীয় মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

পদত্যাগপত্রের অনুলিপি ফরিদপুর জেলা এনসিপির আহ্বায়ক, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং নগরকান্দা প্রেস ক্লাবে জমা দেওয়া হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে ফরহাদ হোসেন খান উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের ৪ জুন কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে নগরকান্দা উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। সেই কমিটিতে তাকে প্রধান সমন্বয়ক করা হলেও কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তার সঙ্গে কোনো আলোচনা বা পরামর্শ করা হয়নি। তিনি এটিকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থি বলে দাবি করেন।

পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে ফরহাদ হোসেন খান বলেন, “আমাকে অবগত না করেই ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর প্রতিবাদেই আমি প্রধান সমন্বয়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।”

ফরিদপুর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী সৈয়দা নীলিমা দোলা কালবেলাকে বলেন, “আমি পদত্যাগপত্রের কোনো কপি এখনো পাইনি। তাছাড়া ফরহাদ হোসেন খানের সঙ্গে পরামর্শ না করেই তাকে নগরকান্দা উপজেলা কমিটিতে রাখা হয়েছিল। কাজটি স্থানীয় নেতারাই করেছিলেন। সে কারণেই ফরহাদ খান শুরুতেই আমাদের জানিয়েছিলেন যে তিনি কমিটিতে থাকবেন না। আমরা সে বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছি। আগামী সপ্তাহে নগরকান্দা কমিটিতে নতুন প্রধান ঘোষণা করা হবে।”

এর আগে গত ১০ আগস্ট ‘দলীয় কর্মকাণ্ডে অনিয়ম ও জুলাই বিপ্লবের নীতি-নৈতিকতার পরিপন্থি কার্যকলাপের’ অভিযোগ তুলে ফরিদপুর এনসিপি সমন্বয়ক কমিটির সদস্য মো. রুবেল মিয়া ওরফে হৃদয় পদত্যাগ করেন। তিনি তার পদত্যাগপত্র জেলা আহ্বায়ক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী সৈয়দা নীলিমা দোলার কাছে জমা দেন।

উল্লেখ্য, এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের যৌথ স্বাক্ষরে ফরিদপুর এনসিপির ২৩ সদস্যবিশিষ্ট সমন্বয়ক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে প্রধান সমন্বয়কারী করা হয় সৈয়দা নীলিমা দোলাকে। এছাড়া পাঁচজনকে যুগ্ম সমন্বয়কারী এবং বাকি ১৭ জনকে সদস্য রাখা হয়।

No comments

Powered by Blogger.