Header Ads

সুস্থ থাকতে চাইলে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলো

 
                       

সুস্থ থাকতে চাইলে মেনে চলুন এই সহজ নিয়মগুলো



মাথাব্যথা, পেটব্যথা, হাঁচি-কাশি কিংবা গ্যাস্ট্রিক—এই ধরনের সাধারণ শারীরিক সমস্যা অনেকেরই প্রায় সারা বছর লেগে থাকে। বেশিরভাগ সময় ওষুধ খেয়ে সাময়িকভাবে সেগুলো নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও, নিয়মে সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই আবার সেই সমস্যাগুলো ফিরে আসে। বারবার এই অসুস্থতার মোকাবিলা করা খুবই কষ্টকর।

তাই শুধু ওষুধের উপর নির্ভর না করে, প্রতিদিনের রুটিনে কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস যোগ করলেই অনেক রোগবালাই সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। শুধু সময়মতো খাওয়াদাওয়া বা পর্যাপ্ত ঘুমই নয়, আরও কিছু কার্যকর উপায় আছে যা শরীরকে দীর্ঘদিন সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। চলুন, সেগুলো জেনে নেওয়া যাক:

নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস

চিকিৎসকরা বারবার বলেন—সুস্থ থাকার অন্যতম সহজ ও কার্যকর উপায় হল নিয়মিত হাঁটা।
হাঁটলে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে, হজমশক্তি বাড়ে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে। ভারী খাওয়ার পর অল্প হাঁটাহাঁটি হজমে সহায়তা করে এবং এটি হালকা ব্যায়ামের কাজও করে। প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুললে দীর্ঘমেয়াদে উপকার মিলবে।

শ্বাসের ব্যায়াম

প্রতিদিন কয়েক মিনিট শ্বাসের ব্যায়াম করলে শরীর এবং মন—দুটোই ভালো থাকে।
এই ব্যায়ামে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী হয়। শ্বাসের ব্যায়াম করার সময় আরামদায়ক ভঙ্গিতে বসে শিরদাঁড়া সোজা রাখতে হবে। নাক দিয়ে ধীরে শ্বাস নিতে হবে এবং আবার ধীরে ছাড়তে হবে। প্রতিদিন মাত্র ১০ মিনিট এই ব্যায়াম করলে মানসিক চাপ কমে, মনঃসংযোগ বাড়ে এবং শরীর আরও সক্রিয় ও সজাগ থাকে।

ঘুমানোর আগে চা বা কফি নয়

রাতের খাবার রাত ৯টার মধ্যে শেষ করা উচিত—এটি হজমে সহায়তা করে।
অনেকেই খাবারের পর কিংবা কাজের ফাঁকে ঘন ঘন চা বা কফি পান করে থাকেন। তবে রাতে অতিরিক্ত ক্যাফেইন শরীরের স্বাভাবিক ছন্দ বিঘ্নিত করতে পারে। এটি ঘুমের সমস্যা তৈরি করে, গ্যাস্ট্রিকের প্রবণতা বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে আরও নানা অসুস্থতার ঝুঁকি তৈরি করে।

ছোট অভ্যাস, বড় সুফল

প্রতিদিন অল্প সময় নিজের শরীর ও স্বাস্থ্যের পেছনে ব্যয় করলে, অনেক ছোটখাটো অসুস্থতা সহজেই এড়ানো সম্ভব।
ওষুধ নয়, বরং স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই হতে পারে দীর্ঘস্থায়ী সুস্থতার চাবিকাঠি।

No comments

Powered by Blogger.